tripura electionBreaking News Others Politics 

ভোট-যুদ্ধ শেষে তেইশে ত্রিপুরার রায় কোনদিকে?

আমার বাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি : আজ ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনের একঝলক ছবি ধরা পড়ল সারাদিনে। ত্রিপুরায় ৬০ আসনে বিধানসভা ভোট-যুদ্ধ ঘিরে কড়া নিরাপত্তা বলয় ছিল। তবে ভোট পর্ব শুরু হতেই কয়েকটি অশান্তির খবর আসতে থাকে। ৩৬ শান্তির বাজার সিপিআই প্রার্থীর অভিযোগ সামনে এল। অন্যদিকে বিজেপি ও তিপ্রা-মোথা শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে বলে দাবি করেছে।

আবার বিশালগড়ে সিপিআইএম পোলিং এজেন্টকে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। সর্বশেষ খবরে জানা যায়, বিকেল ৪টা পর্যন্ত ত্রিপুরা রাজ্যে ভোটের হার ৮১.১০ শতাংশ। পাশাপাশি বুথ জ্যাম করার বিরুদ্ধে সচেতন নাগরিকদের রুখে দাঁড়ানোর চিত্রও দেখা গিয়েছে। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া প্রায় সর্বত্রই মানুষের ভোট দেওয়ার উৎসাহ দেখা যায়।

ত্রিপুরার প্রায় ২৮ লক্ষ ভোটার এই নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন ৷ নির্বাচনী ফলাফল জানা যাবে আগামী ২ মার্চ ৷ ৬০ আসন বিশিষ্ট ত্রিপুরা বিধানসভায় বিজেপি একক ভাবে ৫৫টি আসনে লড়াইয়ে ছিল। বিজেপি জোট সঙ্গী আইপিএফটি ৫টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। অন্যদিকে বাম-কংগ্রেস জোটের মধ্যে বামেরা প্রার্থী দিয়েছে ৪৭ টি আসনে। কংগ্রেস ১৩টি আসনে লড়ছে। আবার তিপ্রামোথা ৪২টি আসনে লড়াইয়ে ছিল।

ভোটের দিন সকাল থেকেই শাসক দলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ সামনে এল। খয়েরপুর, উদয়পুর, ধনপুর সহ শান্তির বাজারে জোরপূর্বক ভোটারদের ভোট দানে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। নির্দল প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে মারধোর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। তবে বিশাল পুলিশ বাহিনী সক্রিয় ছিল তা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

কোথাও কোথাও বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা। চড়িলামের বিভিন্ন কেন্দ্রে কংগ্রেস এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। রাজনগর বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী সুধন দাস জানিয়েছেন,আগের থেকে অনেক বেশি ভোটে জিতবেন ও রাজ্যে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে।

সব মিলিয়ে মোটের ওপর ভোট শান্তিপূর্ণ ছিল। ক্ষমতায় ফের ফিরে আসার বিষয়ে প্রত্যয়ী পদ্ম-শিবির। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন,জোর ঝাটকা দিতে পারে তিপ্রামোথা। একটা অংশের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকরা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন,বিজেপিই আবার ক্ষমতায় আসীন হচ্ছে।

নির্বাচনী সমীক্ষক ও বিশ্লেষক দলের অন্য একটি মহলের মত,ত্রিপুরার মানুষ নিরবে পালা বদল ঘটাতে চাইছে। গেরুয়া শিবিরে চিন্তা রয়েছেই। শেষ পর্যন্ত তেইশের ত্রিপুরার রায় নিয়ে কৌতুহল থাকছেই। ভোট পর্ব মিটতেই ২ মার্চ প্রত্যাবর্তন না পালাবদল হতে চলেছে সেদিকে চোখ থাকছে সবার। (ছবি: সংগৃহীত)

Related posts

Leave a Comment